Tuesday, February 25, 2025

দুইটি স্টেশন এর নাম পরিবর্তন হয়েছে

বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলের দুইটি স্টেশন যথাক্রমে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান এবং বী.মু.সি.ই. এর নাম পরিবর্তন হয়েছে।

তাই আপনাকে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান (Adv. Motiur Rahman) এর পরিবর্তে জগন্নাথগঞ্জ বাজার (Jagannathgonj_Bazar) এবং বী.মু.সি.ই. (B Sirajul Islam) এর পরিবর্তে পঞ্চগড় (Panchagarh) দিয়ে ওয়েবসাইট ও রেলসেবা অ্যাপে টিকেট ক্রয়ের জন্য অনুসন্ধান করার অনুরোধ করা হলো।

Source: https://eticket.railway.gov.bd/

 

 

Monday, December 30, 2024

ইউরোপের ৮ দেশের ভিসা দেবে ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস

ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের সহযোগিতায় বহুজাতিক ভিসা প্রসেসিং সার্ভিস সংস্থা ভিএফএস গ্লোবাল আগামী মঙ্গলবার থেকে বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেনে যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা আবেদনের জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করবে। আজ রবিবার ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, আগামী ১৭ ডিসেম্বর 2024 থেকে সব আবেদনকারীকে অবশ্যই ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে শেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আগাম একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। ‘ওয়াক-ইন’ আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটটি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত। তাই স্লটটি আবেদনকারীকেই বুক করতে হবে।



অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার সময় ভিএফএস গ্লোবাল একটি পরিষেবা ফি ধার্য করবে। আবেদনকারী যদি অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য উপস্থিত না হন বা নির্ধারিত সময়ের সস্নটের ২৪ ঘণ্টা আগে এটি বাতিল করেন তবে ফি ফেরত দেওয়া হবে না বলে ওই বার্তায় বলা হয়েছে।

ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য যদি বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেন ভ্রমণ করা হয় তাহলে অনুগ্রহ করে শুধু ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে বলা হয়েছে।

অনুসন্ধানের জন্য অনুগ্রহ করে ভিএফএস হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সর্বজনীন ছুটি ছাড়া রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (+৮৮) ০৯৬০৬৭৭৭৩৩৩ বা (+৮৮) ০৯৬৬৬৯১১৩৮২ নম্বরে ভিএফএস হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করা যাবে। 

এ ছাড়াও https://vfsforms.mioot.com/forms/CFNC/-এ যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে ভিএফএস গ্লোবালের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।





source: https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/12/08/1455275

Sunday, December 22, 2024

গল্পে গল্পে শিখুন মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর

বঙ্গ মিয়ার ছিলো এগারো সন্তান। সবচেয়ে বড় মেয়ে পাবর্তীকে উঁচু ঘরে বিয়ে দিলেন। ২য় ও ৩য় সন্তানগুলো একটু ‘কু’ তাই তাদেরকে থিতু করলেন কুমিল্লায়। তা বঙ্গ মিয়া একদিন দুই মেয়ের বাড়িতে বেড়ানো শেষে ৪ নম্বর ছেলেটার কর্মস্থল সিলেটে গেলেন চা খেতে, চা খাওয়া শেষে ছোট ছেলেটা ৫ম ভাইয়ের অফিসওটাও সিলেটে বেড়াতে যেতে অনুরোধ করলো।
বঙ্গমিয়া একদম ক্ষেপে গিয়ে বলল ‘হামাক বেক্কল পানু?’ একচর মারবো ৬ টা দাঁত ফেলে দিব, দাঁত গিয়ে রংপুরে পড়বে।
ছোট ছেলে হেসে বলল ভালই তো আসার সাথে (৭) রাজশাহী থেকে আম নিয়ে আসব। শুধু কি তাই ? সাথে কুষ্টিয়া থেকে ৮ প্যাকেট তিলের খাজাও নিয়ে আসব!
বঙ্গ মিয়া তো আরো ক্ষেপে বললেন - আর আসার দরকার নয় (৯) বরিশাল চলে যাও। হাসতে হাসতে ছোট ছেলে বলল বাবা দেশে (১০) তো নৌকার অভাব নাই, চাইলেই যেতে পারি কিন্তু !
হ যাবিই তো, তুরার ১১ টার জ্বালায় কুইট্টালতাম (ময়মনসিংহ) মুঞ্চায়।
গল্পটা কোড। নিজের মত করে সাঁজিয়ে নিতে পারেন।
(সংগৃহীত)

বিঃ দ্রঃ ১০ নং হচ্ছে নৌ সেক্টর। নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না ১০ নং নৌ সেক্টরে।
 





লেফটেন্যান্ট কর্নেল রব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। এই বৈঠকে বিডিএফ কমান্ডারদের অধীনে বাংলাদেশকে এগারোটি বিভাগে (সেক্টর) ভাগ করা হয়। সেক্টরের বিডিএফ কমান্ডাররা গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চার ধরনের উপাধি


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চার ধরনের উপাধিতে ভূষিত করা হয়। 

তাদের মধ্যে 

বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, 

বীরউত্তম ৬৯ জন, 

বীরবিক্রম ১৭৫ জন ও 

বীরপ্রতীক ৪২৬ জন।

 

বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা---

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিও এএস ওডারল্যান্ড। তিনি ১৯১৭ সালে নেদারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন। 

Saturday, December 14, 2024

ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে দুই জোড়া কমিউটার ট্রেন চালু

 ঢাকা–জয়দেবপুর রুটে চালু হয়েছে দুই জোড়া কমিউটার ট্রেন। আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর ২০২৪) সকাল ৭টায় জয়দেবপুর জংশনে ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল করিম খান।

ট্রেনগুলোর মধ্যে তুরাগ কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় ভোর ৫টা আর জয়দেবপুর পৌঁছানোর সময় সকাল ৬টা। বিরতি থাকবে বিমানবন্দর টঙ্গী স্টেশনে।

জয়দেবপুর কমিউটার ঢাকা থেকে ছাড়বে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে আর জয়দেবপুর পৌঁছাবে ৬টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বিমানবন্দর টঙ্গী স্টেশনে।

আবার জয়বেদপুর থেকে তুরাগ কমিউটার ছাড়বে সকাল সাড়ে ৬টায় আর ঢাকা পৌঁছাবে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর, ধীরাশ্রম টঙ্গী স্টেশনে।

আর জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর থেকে ছাড়বে ৭টা ১০ মিনিটে ঢাকায় আসবে ৮টা ২৫ মিনিটে। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর টঙ্গী স্টেশনে।

এই ট্রেন আবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে বেলা ১১টায় পৌঁছাবে দুপুর ১২টায়। বিরতি থাকবে তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর টঙ্গী স্টেশনে। একই স্টেশনে বিরতি দিয়ে জয়দেবপুর কমিউটার জয়দেবপুর ছাড়বে দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকায় আসবে বেলা ১টা ৪০ মিনিটে।

অন্যদিকে তুরাগ কমিউটার সকাল ৫টা ২০ মিনিটে জয়দেবপুর ছাড়বে ঢাকায় আসবে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে। আবার জয়দেবপুর ছাড়বে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে।  

 

তুরাগ কমিউটারের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার জয়দেবপুর কমিউটারের শনিবার। এই ট্রেনগুলোর টিকিট শুধু নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে ইস্যু করা হবে।

 

source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/4ogi0g7px5

কিং ফাহাদ সেতু (King Fahd Causeway)

২০২৪ সালে কেএফসিএ-এর তথ্য অনুযায়ী, কিং ফাহাদ সেতু দিয়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি ভ্রমণকারী এবং ১৩ মিলিয়ন যানবাহন পার হয়েছে। সেতুটি সৌদি আরব এবং বাহরাইনের মধ্যে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, যা দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ ও বাণিজ্য সহজ করেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সেতুগুলোর একটি এবং মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।


২৬ নভেম্বর ১৯৮৬ সালে সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ কিলোমিটার। তন্মধ্যে সৌদি আরবের অংশে ১৪ কি মি এবং বাহরাইনে অংশে ১১ কি মি। সেতুটি সৌদি আরবের খোবর শহরকে বাহরাইনের আল-জাসরা শহরের সাথে সংযুক্ত করে।
এটি নির্মাণে প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছিল। যার পুরোটা খরচ করেছে সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশা ফাহাদ বিন আব্দুল আজিজ আ-লে সৌদ। সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৮১ সালে শুরু হয় এবং ১৯৮৬ সালে শেষ হয়।
সেতুটি দুই দেশের মধ্যে সহজে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি করেছে। এটি পর্যটন এবং বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি এবং ভ্রমণকারী সেতুটি ব্যবহার করে। সেতুর মাঝামাঝি একটি চেকপয়েন্ট রয়েছে, যা দুই দেশের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কার্যক্রম পরিচালনা করে।
আরব উপসাগরের মধ্যে দিয়ে চলে যাওয়া ২৫ কিমি সেতুর মধ্যখানে রয়েছে আধুনিক রেস্তোরাঁ এবং পর্যবেক্ষণ ডেক, যেখানে ভ্রমণকারীরা থেমে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। কিং ফাহাদ সেতু দুই দেশের মধ্যে শুধু ভৌগোলিক সংযোগ নয়, বরং ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রতীক।

 



 




কাবার দরজায় কী লেখা আছে

  কাবার দরজার গিলাফে আরবি অক্ষরে কোরআনের আয়াত ও বিভিন্ন তসবি খচিত রয়েছে। ক্যালিগ্রাফিখচিত হওয়ায় কেউ কেউ এই লেখাগুলো বুঝতে পারেন না। অনেকের জ...